শিশুর চোখে দেখা

শিশুর চোখে দেখা
সেদিন পড়ছিলাম একটি কৃষ্ণকায় ছেলের স্কুলের অভিজ্ঞতার কথা , প্রাইমারি আর সেকেন্ডারি স্কুলের পড়ত যখন বেশ ক বার তাকে সাময়িক বের করা হল স্কুল থেকে প্রথম যখন তার ফিফথ গ্রেড।
কারন খুব সামান্য । অবাধ্যতা,
দুই যুগ পর পরিস্থিতি বদলায়নি । অন্য বর্ণের ছেলে মেয়েদের সাস্পেন শনের উচ্চ ঝুকিতে থাকে। কখনও স্কুল থেকে তাদের স্থান হয় কারাগারে ।
গবেষণায় দেখা গেল এই বর্ণ বৈষম্য কিছুটা হয় পক্ষপাতের কারনে, ছাত্র
অশোভন আচরন করলে শিক্ষক দেখেন সে কালো না সাদা। কালো হলে তা অপরাধ ।
সমাধান কি ? গবেষক রা বলেন এম্পাথি । সমমর্মী তা । তার আবেগ অনুভুতির সাথে একাত্ম হওয়া ।
এম্পাথেটিক মন স্থিতি র কি মুল্য ?
নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে আমি কেন এই বাচ্চাদের নিয়ে ভাবব ?কেন তাদের নিয়ে কাজ করি ? কারন শিক্ষক হিসাবে তাদের শিখতে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা। মানুষ হতে সাহায্য করা।
আর একটি কথা শিশু কেন শিশু ? ভবাতে হবে আমি নিজে যখন ছোট তখন কি করতাম?
নিজে কি জন্য অবাধ্যতা করতাম ? শিক্ষক থেকে কত টুকু এ জন্য কি পেতাম
ভাবতে হবে জৈবিক পরিবর্তন বয়ঃসন্ধি আর আবেগের পরিবর্তন কেমন প্রভাব ফে্লেছিল।
.সামাজিক দুশ্চিন্তা কি করে সামাল দেয়া গেছে
তারা সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠে যখন তাদের দেখ ভাল করা হয় । কেমন হবে সেই সব বাচ্চদের ক্ষেত্রে যাদের অতীত হল বৈষম্যের শিকার হয়া স্কুলে।
এমন জীবন দ্বন্দ্বে বাচ্চা কি ভাবে ।
কি করে তাদের সাথে আচরন হবে সম মর্মী মন স্থিতি থাকলে তাদেরকে আর একটু খেয়াল আদর ধৈর্য আর মনোযোগ থাকলে হবে। অচিরেই তাদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে আর শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস বাড়বে ।
ভাবা যাবেনা যে কঠোর শাসন আনে শৃঙ্খলা তাদের মধ্যে।
তাদের চোখ দিয়ে তাদের দেখতে হবে। দ্বন্দ্বের উত্তাপের সময় পরিস্থিতি আরও ভাল বোঝা যাবে , তাদের বুঝিয়ে পাওয়া যাবে কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি

Prof Dr Subhagata Choudhury

Ex Principal Chittagong Medical College
Ex Dean Medicine, Chittagong University
Ex Director, Lab Service, BIRDEM

Add comment